ইয়াবা এমন একটি মাদক, যা মানুষকে শুধু
মৃত্যুর দিকেই ঠেলে দেয় না মৃত্যুর আগে ওই ইয়াবাসেবীকে পাগলে পরিণত করে ফেলে।
প্রাথমিকভাবে ইয়াবার এই ভয়ঙ্কর রূপ কেউ বুঝতে পারে না। দীর্ঘ পরীক্ষা-নিরীক্ষা ও
পর্যবেক্ষণের পর এমন প্রমাণ পেয়েছেন মাদকদ্রব্য নিরাময় কেন্দ্রের বিশেষজ্ঞরা। বাংলাদেশ মাদকাসক্ত চিকিৎসা ও
পুনর্বাসন কেন্দ্র বারাকার এডুকেটর ডিডক্স জাকিউল আলম মিলটন বলেন, মাদক মাত্রই মানবদেহের জন্য ক্ষতিকর মাদক মানেই মৃত্যু। মাদক সেবনকারী
বিভিন্নভাবে ধীরে ধীরে মৃত্যুর দিকে এগোতে থাকে। কিন্তু ইয়াবা এমন একটি ভয়ঙ্কর
মাদক, যা মানুষকে শুধু মেরেই ফেলে না মারার আগে ওই
মানুষকে পাগলে পরিণত করে ফেলে। যার পাগলামির কারণে গোটা পরিবার ধ্বংস হয়ে যায়।
নিকিতা: THE ‘ইয়াবা –সুন্দরী’
সেই নিকিতা-সুন্দরীকে নিশ্চয়ই ভুলে যাননি পাঠক ? আজ থেকে
মাত্র কয়েক বছর আগের কাহিনী। ২০০৭ সালে তত্ত্বাবধায়ক-আমলের বিশেষ অভিযানে অন্ধকার
জগৎ থেকে প্রকাশ্যে মুখ দেখাতে বাধ্য হয়েছিলেন যে কথিত ‘মডেল’
নিকিতা, তার স্খলনের মূলে কোন বস্তুটি
ছিল, তাও নিশ্চয়ই পাঠক বিস্মৃত হননি। কেননা, নায়িকা-সদৃশ সুন্দরী নিকিতার ‘প্রসন্ন’
কপালে সেদিন ওই বস্তুটির কল্যাণেই জুটেছিল ‘ইয়াবা-সুন্দরী’র তকমা। অনেকে ইয়াবা-নিকিতা
নামেই তাকে আজবধি মনে রেখেছে। এটি পুরাতন খবর।
লেবেলসমূহ:
নেশা
পিতা-মাতাকে খুন করে ঐশী যা করেছিলো
নিজের পিতা-মাতাকে খুন করেই
ক্ষান্ত হয়নি ঐশী। নিথর ও রক্তাক্ত মায়ের শরীর থেকে গহনাও খুলে নিয়েছে। রান্নাঘর
থেকে বঁটি এনে স্বপ্না রহমানের কোমরে থাকা বাসার চাবির গোছা কেটে নেয়। এরপর একে
একে কানের দুল, গলার চেইন, হাতের বালা ও নাকফুল খুলে নেয়।
আলমারিতে রক্ষিত আরও স্বর্ণালঙ্কার নিয়ে ব্যাগে ভরে বাসা থেকে বেরিয়ে যায়।
লেবেলসমূহ:
ঐশী সমগ্র
ঐশীর স্কুলজীবন ও ডজনখানেক বয়ফ্রেন্ড
ঐশীর শিক্ষাজীবন শুরু হয়েছিল মতিঝিল আইডিয়াল স্কুলে। সেখানকার
ধর্মীয় রীতিনীতি ও নিয়ন্ত্রিত জীবনযাপন তার ভাল লাগেনি। ছেলেদের টুপি ও মেয়েদের
স্কার্ফ পরা অসহ্য মনে হয়েছে তার কাছে। তখন থেকেই তার ধারণা জন্মে- ওই স্কুলে
পড়াশোনা করলে পার্থিব জীবনের সকল সৌন্দর্য উপভোগের পথ বন্ধ হয়ে যাবে। অদেখাই রয়ে
যাবে সৃষ্টির আসল সৌন্দর্য। এ ধারণা থেকে স্কুল বদল করতে বাবা-মাকে চাপ দিতে থাকে।
বায়না ধরে ইংলিশ মিডিয়াম শিক্ষা প্রতিষ্ঠান- অক্সফোর্ড স্কুলে ভর্তির।
ঐশীর সুইসাইডাল নোট
উচ্চাকাঙ্খি ঐশী জীবনকে উপভোগ করতে গিয়ে নেশার জগতে হারিয়েছিল। আনন্দ
খুঁজতে গিয়ে জড়িয়েছিল অনৈতিক সম্পর্কের অচ্ছেদ্য জালে। দীর্ঘদিনের এমন অভ্যস্ত ও
বেপরোয়া জীবনে হঠাৎ করেই নেমে আসে বাধা। বাবা-মায়ের অতি শাসনের কবলে তিন
মাস ধরে ফ্ল্যাটে বন্দি হয়ে পড়ে। কেড়ে নেয়া হয় মোবাইল ফোন। এতে ভীষণ হতাশ হয়ে পড়ে
ঐশী। বেঁচে থাকার আশা হারিয়ে
ফেলে। মানসিকভাবে অসুস্থ হয়ে পড়ে অবাধ মেলামেশায় পিতা-মাতার আকস্মিক বাধা ও মাদকের নেশার ছোবলে।
একপর্যায়ে আত্মহত্যা করে সকল হতাশা থেকে
মুক্তির উপায় খুঁজতে থাকে।
চিঠিটি হুবহু তুলে ধরা হলো-
লেবেলসমূহ:
ঐশী সমগ্র
নোয়াখাইল্যা গীত - হাঁসতে হাঁসতে মারা যান
টিকেট কাডি মানুষ যেদিন চান্দে যাইবো ভাই
চান্দের মা বুড়িরে দেখি
রইবো ভেটকাই...(x২)
লেবেলসমূহ:
ফান
এতে সদস্যতা:
পোস্টগুলি (Atom)



